Blog

  • Hello world!

    Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start writing!

  • যে কারণে ৬ মাস ধরে উর্দু শেখেন ব্রিটিশ গায়িকা

    হেডিংলিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট শুরুর আগে পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতের এক ব্যতিক্রমী পরিবেশনা দেখা গেছে। ইংলিশ গায়িকা লরা রাইট উর্দু ভাষায় পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এই পরিবেশনা নিয়ে নানা আলোচনা হলেও, গায়িকা নিজে জানিয়েছেন পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতের সঠিক উচ্চারণ আয়ত্ত করতে কতটা পরিশ্রম করতে হয়েছে তাকে। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে লরা রাইট জানান, পাকিস্তানের জাতীয় ভাষা উর্দু শিখতে তিনি টানা ছয় মাস সময় দিয়েছেন। এর আগে ২০২৫ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের টেস্ট সিরিজ চলাকালীন ভারতীয় জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-ও বাংলায় গেয়েছিলেন তিনি।

    বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইভেন্টে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে পরিচিতি পাওয়া লরা রাইট উর্দু ও বাংলা ভাষা শেখার পেছনে নিজের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেন।

    ‘দ্য অ্যাথলেটিক’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাইট বলেন, যেকোনো দেশের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সুযোগ পাওয়াটা অত্যন্ত সম্মানের এবং আমি এটাকে কখনোই হালকাভাবে নেই না। তবে ভারত ও পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়াটা সত্যিই বড় চ্যালেঞ্জ। যখন আমাকে এগুলোর জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়, ‘হ্যাঁ’ বলার আগে আমি ভালো করে ভেবে দেখি, কারণ আমি নিশ্চিত হতে চাই যে, উচ্চারণগুলো সঠিকভাবে করতে পারব কিনা।

    পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সুযোগ প্রসঙ্গে এই গায়িকা আরও বলেন, আমার নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন ছিল যে, এটি শেখার জন্য আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় আছে কিনা। আর আমি গত ছয় মাস ধরে উর্দু ভাষা নিয়ে কাজ করছি। এটি এমন নয় যে, কেউ এসে আমাকে বলল, ‘তুমি কি এসে জেরুজালেম গানটি গাইতে পারবে?’ এটি তার চেয়েও অনেক বড় কিছু। তবে এটি আমার জন্য এক বিশাল সৌভাগ্যের বিষয় এবং আমি শুধু আশা করি যেন এর সঠিক মর্যাদা রাখতে পারি।

    ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার আগের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে রাইট জানান, সে সময় তিনি বেশ নার্ভাস ছিলেন।

    তিনি আরও বলেন, প্রথমবার ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময় আমি সম্ভবত জীবনের সবচেয়ে বেশি নার্ভাস ছিলাম। আপনি যখন ক্লাসিক্যাল মিউজিক নিয়ে পড়াশোনা করবেন, তখন ইতালীয় বা জার্মান ভাষার একটা প্রাথমিক ধারণা আপনাকে দেওয়া হবে। কিন্তু যখন জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করতে যাবেন, তখন আপনাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন সব ভাষার মুখোমুখি হতে হবে।

    নিজের প্রস্তুতির বিস্তারিত জানিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, আমি দীর্ঘ সময় ধরে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত শুনেছি এবং উচ্চারণ, লয় ও শব্দের অর্থ বোঝার জন্য দুই-তিনজন ব্যক্তির সঙ্গে সময় কাটিয়েছি, যেন তাদের কথা বলা শুনে শিখতে পারি। এটি এই পেশার এমন একটি দিক, যা সাধারণ মানুষ দেখতে পায় না।

    অনলাইন ডেস্ক

  • কোনো দৃশ্য বাদ না দিয়েই সেন্সর ছাড়পত্র পেল বিতর্কিত ‘টক্সিক’

    কন্নড় সুপারস্টার যশ অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’ অবশেষে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির জন্য সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। সিনেমাটিতে সহিংসতা ও বিতর্কিত নানা উপাদান থাকলেও ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) কোনো দৃশ্য বাদ না দিয়েই ছবিটিকে ‘এ’ সার্টিফিকেট দিয়েছে। অর্থাৎ কেবল প্রাপ্তবয়স্ক দর্শকরাই সিনেমাটি দেখতে পারবেন।

    আগামী ২৬ আগস্ট বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে সিনেমাটির। সিবিএফসির তথ্য অনুযায়ী, কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত দ্বিভাষিক এই সিনেমার দৈর্ঘ্য ৩ ঘণ্টা ১২ মিনিট। সেন্সর বোর্ড মূল দৃশ্যের কোনো কাটছাঁটের নির্দেশ দেয়নি।

    তবে সিনেমার কন্নড় সংস্করণে থাকা দুটি আপত্তিকর শব্দ পরিবর্তন বা মিউট করার নির্দেশ দিয়েছে বোর্ড। একই সঙ্গে ওই অংশগুলোর ইংরেজি সাবটাইটেলও সংশোধন করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সিনেমাজুড়ে ধূমপান ও মদ্যপানবিরোধী প্রয়োজনীয় সতর্কবার্তা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ‘টক্সিক’ ঘিরে এরই মধ্যে সহিংসতা, যৌনতা ও বিভিন্ন সংবেদনশীল দৃশ্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। শুধু ভারতেই নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সিনেমাটি নিয়ে আগ্রহ ও বিতর্ক দেখা দিয়েছে। যুক্তরাজ্যেও ছবিটিকে কেবল প্রাপ্তবয়স্ক দর্শকদের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    সিনেমাটি যে শিশুদের জন্য নয়, তা আগেই স্পষ্ট করেছিলেন যশ। একটি ভারতীয় টকশোতে নিজের সিনেমার ট্যাগলাইন ‘বড়দের জন্য এক রূপকথা’ উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছিলেন, শিশুদের সিনেমাটি দেখতে প্রেক্ষাগৃহে না যাওয়াই ভালো। কারণ ছবিটি মূলত প্রাপ্তবয়স্ক দর্শকদের কথা মাথায় রেখেই নির্মাণ করা হয়েছে।

    গীতু মোহনদাস পরিচালিত ‘টক্সিক’-এ যশের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন কিয়ারা আদভানি, নয়নতারা, তারা সুতারিয়া, হুমা কোরেশি ও রুক্মিণী বসন্ত।

    বিতর্ক, কৌতূহল ও ব্যাপক প্রত্যাশাকে সঙ্গী করে আগামী ২৬ আগস্ট বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিতর্ক ও সমালোচনায় এবার সরাসরি জবাব দিলেন জেমস

    ইতালির রোমে কনসার্ট করতে গিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা ও নগরবাউলের গায়ক জেমস। হোটেল কক্ষ অপরিচ্ছন্ন রাখা, আয়োজকদের না জানিয়ে চলে যাওয়া এবং চুক্তি ভঙ্গসহ তার ও দলের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ ওঠে। এর আগে এসব বিষয়ে নগরবাউলের মুখপাত্র রুবাইয়াৎ ঠাকুর রবিন কথা বললেও এবার ভেনিসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন জেমস।

    বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ভেনিসে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন নগরবাউল। সেখানে জেমস দাবি করেন, যথাযথ তথ্য-প্রমাণ ছাড়া তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর কোনো ভিত্তি নেই।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হোটেল কক্ষের অপরিচ্ছন্ন ছবির বিষয়ে জেমস বলেন, ‘একটা হোটেলের নিয়ম কানুন আছে। যে রুম নিয়ে অভিযোগ, সেখানে কিছু ইয়াং মিউজিশিয়ান ছিল। তাদের বয়স কম, হয়ত রুম পুরোপুরি গুছিয়ে বা ক্লিন করে রাখেনি। এটা এমন কোনো বিগ ডিল নয়। এমন প্রায় সব হোটেলেই এটা ঘটে। এটা এমন কিছুই না, অনেকেই রুমে অনেক কিছু রাখে।’

    হোটেল কক্ষের ছবি অনুমতি ছাড়া ছড়িয়ে পড়ায় তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ক্ষুণ্ন হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নও করা হয় জেমসকে। জবাবে তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করে বলেন, ‘এটা আমার রুমই না। সেক্ষেত্রে আমার প্রাইভেসির বিষয়টি আসছেই না।’ অর্থাৎ সামাজিক মাধ্যমে যে কক্ষের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে, সেটি তার ব্যক্তিগত কক্ষ ছিল না বলে জানান তিনি।

    তবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ওঠা চুক্তি ভঙ্গ এবং টিকিট বিক্রির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি জেমস। এ সময় তার মুখপাত্র ও ব্যবস্থাপক রুবাইয়াৎ ঠাকুর রবিন আয়োজকদের বিরুদ্ধেই পারিশ্রমিক পরিশোধ না করার অভিযোগ তোলেন।

    রবিনের দাবি, চুক্তি অনুযায়ী ৩০ হাজার ইউরো পারিশ্রমিক পরিশোধের পর জেমসের মঞ্চে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু কনসার্ট শুরু হওয়ার আগে আয়োজকেরা চুক্তি অনুযায়ী পুরো অর্থ পরিশোধ করেননি।

    এদিকে বিতর্কের মধ্যেও থেমে নেই নগরবাউলের ইউরোপ সফর। আগামী ২৩ আগস্ট ভেনিসে কনসার্ট করার পর ইতালির আরও কয়েকটি শহরে পারফর্ম করার কথা রয়েছে জেমস ও তার দলের। এরপর আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সুইডেনে কনসার্ট করবেন তারা। ইউরোপের সফর শেষ করে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে নগরবাউলের।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাতারাতি ব্রণ কমাতে যা করলেন অনন্যা পান্ডে

    আচমকা মুখে ব্রণ হলে কার না বিরক্ত লাগে? বিশেষ করে এ সমস্যায় ভোগেন বিনোদন জগতের তারকারা। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে এমনই মনোকষ্টের কথা মজার ছলে শেয়ার করে নিলেন বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডে।

    সবসময় আকর্ষণীয় সাজপোশাকে তাকে দেখে থাকেন দর্শক, ভক্ত-অনুরাগীরা। সেই তিনিই সামাজিক মাধ্যমে ছবি পোস্ট করেছেন মেকআপ ছাড়াই। মুখে ব্রণ ও সেখানে লাগানো হয়েছে ‘পিম্পল প্যাচ’।

    রাতারাতি ব্রণ সারাতে ‘পিম্পল প্যাচ’-এর ব্যবহার ক্রমাগত দিন দিন বাড়ছে। এ জিনিসটি হলো ছোট, গোল ও স্বচ্ছ। এক ধরনের হাইড্রোকলয়েড ব্যান্ডেজ। এটি ব্রণের ওপর বসিয়ে দিলে তা ভেতর থেকে পুঁজ, তেল ও ক্ষতিকর তরল শুষে নেয়। প্যাচ থাকায় বাইরের ধুলাবালি ও ব্যাকটেরিয়া ব্রণের সংস্পর্শে আসতে পারে না। ব্রণ ঢাকা থাকায় ময়লা হাত পৌঁছায় না। ফলে ব্রণ দ্রুত শুকিয়ে যায়। কোনো কোনো ‘পিম্পল প্যাচ’-এ স্যালিসাইলিক অ্যাসিড এবং বেঞ্জয়েল পারক্সাইডের মতো ব্রণ সারানোর উপাদানও দেওয়া থাকে। তবে ‘পিম্পল প্যাচ’ জাদুকাঠি নয়; সাময়িকভাবে ব্যবহার করা গেলেও তা ব্রণের ওষুধ হয়ে উঠতে পারে না।

    এ বিষয়ে চিকিৎসকরা বলছেন, ব্রণে এটা-সেটা না লাগিয়ে চিকিৎসা করানো উচিত। দরকার জীবনযাপনে নিয়ন্ত্রণ। কারণ ‘পিম্পল প্যাচ’ স্থায়ী সমাধান নয়; তা ছাড়া সবার ত্বকে তা সহ্য নাও হতে পারে।

    চলুন জেনে নেওয়া যাক, ব্রণ এড়াতে যা করবেন আপনি-

    ১. নিয়ম করে মুখ পরিষ্কার করে নিন। প্রয়োজন অনুযায়ী ত্বক উপযোগী ক্লিনজার ব্যবহার করুন।

    ২. আর স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াও জরুরি। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার, ভিটামিন, খনিজ ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে।

    ৩. এ ছাড়া ব্রণ হলে বারবার হাত দেওয়া, খোঁচানোর প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।

    ব্রণ হলে সঠিক চিকিৎসা প্রয়োজন, ঘরোয়া টোটকায় পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নারীদের আত্মবিশ্বাসী হওয়ার আহ্বান বর্ষার

    রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বগুড়া জেলায় চালু হয়েছে বিআরটিসির ‘পিংক বাস’ সেবা। নারী চালক ও কন্ডাক্টরদের নিয়ে নারীর কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরতার সুযোগ তৈরির এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন দেশের মানুষ। এ নিয়ে নারীদের কাজের প্রশংসা করে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে দিয়েছেন ঢালিউড অভিনেত্রী আফিয়া নুসরাত বর্ষা।

    সেই পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন— ব্যক্তিগতভাবে গোলাপি রঙ তার খুব একটা পছন্দের নয়। তবে নারীদের পরিচালনায় চালু হওয়া পিংক বাসটি তার নজর কেড়েছে এবং উদ্যোগটি তার ভালো লেগেছে।

    পিংক বাসে দায়িত্ব নেওয়া নারী চালক ও কন্ডাক্টরদের শুভকামনা জানিয়েছেন বর্ষা। তিনি বলেন, এসব নারীকে দেখে আরও অনেক নারী নিজেদের স্বপ্ন বড় করে দেখার সাহস পাবেন এবং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা পাবেন।

    তিনি আরও বলেন, মেয়েরা আজ প্রাইভেটকার চালাচ্ছে, প্লেন চালাচ্ছে, হেলিকপ্টার চালাচ্ছে; তাহলে বাস কেন চালাতে পারবে না? অবশ্যই পারবে। বরং সুযোগ পেলে মেয়েরা যে কোনো কাজই দক্ষতার সঙ্গে করতে পারে।

    তিনি বলেন, বিশেষ করে নারীদের জন্য ভালো ও সম্মানজনক চাকরি পাওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এমন বাস্তবতায় পিংক বাসের মতো উদ্যোগ নারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলেও মনে করেন তিনি।

    অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘কাজ মানেই সম্মান।’ মানুষ যে কাজই করুক না কেন, সেই কাজের মধ্যে ভালোবাসা, আত্মসম্মান ও আনন্দ খুঁজে পাওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নারীদের আত্মবিশ্বাসী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বর্ষা বলেন, ‘আমিও একদিন এই গাড়িটি চালাব’— এমন আত্মবিশ্বাস যেন নারীদের মধ্যে তৈরি হয়। তার মতে, কোনো কাজকেই ছোট করে দেখা উচিত নয়।

    পিংক বাসের উদ্যোগ আরও অনেক নারীর জন্য কর্মসংস্থানের পথ খুলে দিক— এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন বর্ষা। নারী চালকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা যেন সাহস ও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। তাদের পথচলা দেখে আরও অনেক নারী যেন নিজের পায়ে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা পান। পিংক বাসে নিজেও যাত্রী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ হঠাৎ করে আমিও যাত্রী হয়ে যাব।’

    উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁও বিআরটিসি ডিপোতে পিংক বাস সেবার উদ্বোধন করা হয়। যেখানে থাকবেন শুধুই নারী যাত্রী। সঙ্গে থাকবেন নারী চালক ও নারী কন্ডাক্টর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুলকে শুভেচ্ছা জানালেন মনির খান

    বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ২৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। আজ বঙ্গভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা দেশ-বিদেশ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা-অভিনন্দন জানাচ্ছেন। বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মনির খানও তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন এ শিল্পী।

    বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে নিজের একটি ছবিও প্রকাশ করেছেন মনির খান। সেখানে শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়ে এ গায়ক লিখেছেন— ‘১৯৯১ সালের পর আজ ২০ আগস্ট ২০২৬ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এই নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আমি তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমি নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।’

    এদিকে ১৯৯১ সালের পর এবারই প্রথম একাধিক প্রার্থীর অংশগ্রহণে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এর আগে টানা কয়েকবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সম্পন্ন হয়েছিল। 

    এবারের নির্বাচন দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতায় নতুন একটি অধ্যায় যুক্ত করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ১০ মিনিটে জাতীয় সংসদে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সাদা কাগজে কালো কালিতে ছাপা ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট দেন সংসদ সদস্যরা। সংসদ অধিবেশন কক্ষে রাখা তিনটি নির্ধারিত ব্যালটবাক্সে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট ৩৪৯ সংসদ সদস্য এ নির্বাচনে ভোটার ছিলেন। তাদের মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দেন। ভোটগ্রহণ শেষে বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ফল ঘোষণা করেন।

    বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। অন্যদিকে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথ নেবেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘দেশু ৭’ সিনেমার শুটিং শেষে যে চমক দেখালেন দেব-শুভশ্রী

    টালিউডের জনপ্রিয় পাগলুখ্যাত অভিনেতা দীপক অধিকারী দেব এবার চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথমবার পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন। ‘দেশু ৭’ সিনেমাটিতে অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা ও পরিচালনাও সামলাচ্ছেন তিনি। দীর্ঘদিন পর মান-অভিমান ভুলে পর্দায় ফিরছেন দেব-শুভশ্রী। তাদের নতুন এ রসায়ন দেখতে মুখিয়ে আছেন বাংলা সিনেমার দর্শকরা।

    বর্তমানে এ জনপ্রিয় তারকা জুটি ‘দেশু ৭’ সিনেমার শুটিংয়ের পর্ব শেষ করেছেন। সম্প্রতি দৃশ্যধারণ শেষ হয়েছে লাদাখে। এরপর এক ব্যতিক্রমী ভিডিও তৈরি করেন এ তারকা জুটি। মূলত অনেক দিন আগের ব্যবসাসফল সিনেমা ‘রোমিও’-এর সুপারহিট গান ‘কবে আইবে আমার পালা রে’-এর তালে নেচেছেন তারা, যা সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের নিয়ে গেছে সেই পুরোনো দিনে, করেছে নস্টালজিয়ায়।

    সামাজিক মাধ্যমে সেই ভিডিওটি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। তাতে উল্লেখ করেন এক বার্তা। সেই পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন— ‘কৃতজ্ঞতা, গর্ব ও কিছুটা আবেগে ভরা হৃদয় নিয়ে আমরা ‘দেশু ৭’ সিনেমার শুটিং শেষের ঘোষণা দিচ্ছি। যারা এ সিনেমায় নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। শুটিং হয়তো শেষ। তবে সিনেমাটি নিয়ে আমাদের মূল যাত্রা কেবল শুরু হলো— এই পূজায় দেখা হচ্ছে প্রেক্ষাগৃহে!’

    ভিডিওটিতে দেখা গেছে, একটি খোলা রাস্তায় দাঁড়িয়ে ‘রোমিও’ সিনেমার সুপারহিট গান ‘কবে আইবে আমার পালা রে’-এর তালে নাচছেন দেব-শুভশ্রীসহ আরও কিছু পার্শ্বশিল্পী। আবহে লাদাখের সৌন্দর্যও দৃশ্যমান। এরপর ড্রোন রাইজ শট দিয়ে শেষ করা হয় ভিডিও, দেওয়া হয় আসন্ন সিনেমা ‘দেশু ৭’-এর ঘোষণা। তবে ভিডিওটি দেখার পর, বিশেষ করে এই জুটির সেই গান ও নাচের স্টেপ দেখে কমেন্ট বক্সে দর্শকরা তাদের শৈশব ও সোনালি স্মৃতির কথা তুলে ধরে আবেগ প্রকাশ করেছেন। 

    সামাজিক মাধ্যমে এক নেটিজেন লিখেছেন— ‘এই নস্টালজিক অতীত পুনরুজ্জীবিত।’ আরেক নেটিজেন লিখেছেন— ‘চাইল্ডহুড ইমোশন।’ অন্য আরেক নেটিজেন লিখেছেন— ‘উফ, সেরা সেরা। পুরোনো দিনে ফিরে গেলাম।’

    উল্লেখ্য, ‘রোমিও’-এর সুপারহিট গান ‘কবে আইবে আমার পালা রে’-এর তালে দেব-শুভশ্রীর নাচের এ ভিডিওটি প্রকাশ পাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ৪১ হাজারেরও বেশি রি-অ্যাকশন ও বিপুলসংখ্যক মন্তব্য জমা পড়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিমানবন্দরে গেলে এখনো ৫০০ মানুষ সেলফি তুলতে আসে: রাজপাল যাদব

    বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদব আইনি ও আর্থিক সংকট টেনে আনলেও নিজের জনপ্রিয়তায় একটুও ভাটা পড়েনি বলে দাবি করেন। এখনো আগের মতোই জনপ্রিয় এবং সংকটকালে পরিস্থিতি তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের সুনাম নষ্ট করতে পারেনি। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে চেক বাউন্স মামলায় সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কারাবাসের পর এমন কথাই বলেছেন রাজপাল যাদব।

    আর্থিক বিরোধের জের ধরে মুরলি প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের করা একাধিক চেক বাউন্স মামলায় সম্প্রতি দিল্লি হাইকোর্ট রাজপাল যাদব ও তার স্ত্রী রাধা যাদবের সাজা বহাল রাখেন। আদালত নির্দেশ দিলে তিনি দিল্লি তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করেন। কিছু দিন কারাভোগের পর বাদীর পাওনার একটি অংশ পরিশোধ করায় পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। 

    মুক্তির পর অভিনেতা রাজপাল যাদব ভারতীয় চলচ্চিত্রের একজন অনুগত শিল্পের ছাত্র বলে দাবি করেন। কাজের প্রতি ডেডিকেশন রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত ৩০-৪০ বছরে গ্রাম থেকে শুরু করে এখানে আসার জার্নিতে আমি যদি ১০০-২০০ মানুষের কাছে ঋণী থাকি, তবে সেই অর্থ তাদের কাছে পৌঁছে যাবে। 

    রাজপাল যাদব বলেন, কারণ আমি জানি তা কোথায় আছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো— তহবিল যখন সংকটে পড়ে, তখন মানুষ কীভাবে একজন শিল্পীর পুরো বায়োডাটার ওপর বাজি ধরে? টাকার বিনিময়ে তাকে কেনা সম্ভব নয় দাবি করে তিনি বলেন, ‘রাজপাল যাদব সংকটে থাকুক কিংবা ভালো থাকুক— বিমানবন্দরে গেলে এখনো  ৫০০ মানুষ সেলফি তুলতে আসে। বিশ্বে রাজপাল এতটাই দায়িত্বশীল একজন অভিনেতা বলে জানান রাজপাল যাদব। 

    তিনি বলেন, আমাকে কেউ ৫ কোটি, ১০ কোটি, ১০০ কোটি বা ২৫০ কোটিতে কিনতে পারবে না। কারণ আমি শৈশব থেকেই শিল্পের নামে নিজেকে সঁপে দিয়েছি। টাকার জন্য কেউ আমাকে কিনতে পারবে না, আমার এ কথায় বিশ্বাস রাখুন।

    এ অভিনেতা আরও বলেন, অভিনয়ের এই পথচলায় আমি থিয়েটার ও সিনেমার একজন পূজারী। এটাকে ক্ষতি বলুন বা যা-ই বলুন, আমি ১০০% নিশ্চিতভাবে এমন কিছু তৈরি করে দিয়ে যাব, যেন ২০০০ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রাজপালের অবদান আপনারা দেখতে পান। এর জন্য এক বা দুই বছর সময় লাগতে পারে। 

    রাজপাল বলেন, আমি প্রথম দিন থেকেই বলেছি যে, আমি কখনোই হারিয়ে যাইনি ছবি বানিয়েও না, ঘর বানিয়েও না কিংবা ক্যারিয়ার বানিয়েও না।

    প্রসঙ্গত, রাজপাল যাদবকে সর্বশেষ ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ সিনেমায় দেখা গেছে। এ ছাড়া তিনি ‘ভূত বাংলা’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আপনভোলা চিকিৎসক প্রসেনজিৎ

    প্রায় দুই বছর আগে শুটিং শেষ হয়েছিল ‘ডাক্তার কাকু’ সিনেমাটির। অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে সেই সিনেমা। আগামী সেপ্টেম্বরে ‘ডাক্তার কাকু’-বেশে পর্দায় দেখা যাবে টালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে।

    ‘চিনে বাদাম’ সিনেমার পর প্রযোজক এনা সাহা অনেক দিন দূরে ছিলেন বড়পর্দা থেকে। অভিনেত্রী এনাকেও অনেক দিন দেখেননি সিনেমাপ্রেমী দর্শকরা। এবার তাকেও দেখা যাবে বড়পর্দায়। প্রযোজনা ছাড়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে এনাকে। অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে এনা প্রযোজিত পাভেল পরিচালিত সিনেমা ‘ডাক্তার কাকু’। কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ।

    অন্য সিনেমার চেয়ে একেবারে নতুনভাবে দেখা যাবে প্রসেনজিৎকে। চোখে চশমা। সাদা শার্ট আর প্যান্ট। কোনো নায়কোচিত ব্যাপার নেই। যেন আপনভোলা মানুষ। ঠিক এভাবেই ধরা দিলেন অভিনেতা। শুধু প্রসেনজিৎ নন, এ সিনেমায় দেখা যাবে অভিনেতা ঋদ্ধি সেনকেও। ঋদ্ধিরও রয়েছে দুই ধরনের লুক। প্রসেনজিতের দুই ছেলের চরিত্রে দেখা যাবে ঋদ্ধি ও পাভেলকে। 

    ‘ডাক্তার কাকু’ সিনেমাতে প্রসেনজিৎ আগের প্রজন্মের চিকিৎসক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। যিনি ডাক্তারি পাশ করার সময় নেওয়া মানবসেবার শপথ অক্ষরে অক্ষরে মানেন। রোগী দেখতে শুরু করলে নাওয়া-খাওয়ার হুঁশ থাকে না তার। পাড়া ও আশপাশে চিকিৎসক দিলীপ সাহা তাই ঈশ্বর। কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি দুদিনের জন্য শুট হয়েছে পুরুলিয়ায়। একাধিক গান থাকবে। সুরের দায়িত্বে রণজয় ভট্টাচার্য, অমিত ঈশান, অর্ণব দত্ত, সৌপ্তিক সায়ন্তন।

    প্রযোজক এনা বললেন, অবাঙালি পরিবারের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছি আমি। তা ছাড়া প্রায় আড়াই বছর পর প্রযোজনায় ফিরতে পারলাম। সিনেমা আটকে ছিল। রিলিজ করাতে পারছিলাম না। সেটা ভেবেও আনন্দ হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, সিনেমার যাবতীয় প্রশ্ন ঘুরবে তিনটি চরিত্রকে কেন্দ্র করে। ‘ডাক্তার কাকু’ ওরফে প্রসেনজিৎ, তার দুই ছেলে ‘পুশকিন’ ওরফে ঋদ্ধি এবং ‘পচা’ ওরফে পাভেল স্বয়ং! এ ছাড়া আছেন রজতাভ দত্ত, তুলিকা বসু প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক